আমাদের অঙ্কের স্যারের হাতের লেখা ছিল ছাপার অক্ষরের মতো। বোর্ডে লিখতেন ধীরে, যেন প্রতিটি সংখ্যার আলাদা মর্যাদা আছে।
ক্লাসে কেউ ভুল করলে তিনি কখনো হাসতেন না, অন্যদেরও হাসতে দিতেন না।
আজ যখন নিজের সন্তানকে পড়াতে বসি, অজান্তেই ওই একই কথা বলে ফেলি, আবার করো, হবে।
সম্পাদনা পর্ষদের পক্ষে অনুমোদন করেছেন আসিফ আলমApproved for the editorial board by Asif Alam
আপনারও কি কিছু লেখার আছে?Do you have something to write too?
লেখা জমা দিনSubmit your writing